
ডিটেকটিভ গ্যালিলিও সিরিজ (বক্সসেট)
| লেখক: | কেইগা হিগাশিনো |
| অনুবাদক: | আহনাফ তাহমিদ, বর্ষণ হাসান, আদনান আহমেদ রিজন, আশিকুর রহমান (আশিক) |
| প্রকাশনী: | গ্রন্থরাজ্য |
| বিষয়: | সমগ্র, সংকলন, রচনাবলি ও অমনিবাস |
| পৃষ্ঠা: | Unknown |
| SKU: | FIBO2604039300 |
| ভাষা: | বাংলা ( বাংলাদেশ ) |
Recently Viewed
No more recently viewed books
১. বই: ইনভিজিবল হেলিক্স
অনুবাদ: আহনাফ তাহমিদ
• ফ্ল্যাপ:
টোকিও উপসাগরে ভেসে উঠলো পিঠে গুলিবিদ্ধ এক যুবকের লাশ। তদন্তে নামলো চীফ কুসানাগি, কাওরু উতসুমি আর তদন্তকারী দল।
রিয়োতা উয়েতসুজিকে হত্যা করেছে কে? তার মারধোরের শিকার প্রেমিকা সোনোকা শিমাউচি? কিন্তু মেয়েটা তো ঘটনার সময় বান্ধবীর সাথে টোকিওতে বেড়াতে গিয়েছিল।
দৃশ্যপটে হাজির হলো ডিটেকটিভ গ্যালিলিও, ওরফে প্রফেসর মানাবু ইউকাওয়া। পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক রহস্যের পরত খুলতে শুরু করলো সে।
তবে এই বইতে রহস্যের পাশাপাশি পাঠকদের জন্য খোলাসা করা হয়েছে ইউকাওয়ার জীবনের এক অমোঘ সত্য। উন্মোচিত হয়েছে তার অতীত। মানাবু ইউকাওয়া আসলে কে? কী তার সত্যিকারের পরিচয়?
কেইগা হিগাশিনোর "ইনভিজিবল হেলিক্স" পাঠকবৃন্দ জম্পেশ উপভোগ করবেন, এ কথা বলাই যাচ্ছে!
২. বই: সাইলেন্ট প্যারেড
অনুবাদ: বর্ষণ হাসান
• ফ্ল্যাপ:
পুড়ে যাওয়া একটা লাশ। পরিচয় খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, মেয়েটা তিন বছর আগে হারিয়ে গিয়েছিল। অপহরণ?
মানসিক বিকারগ্রস্ত একজন সাসপেক্ট। তেইশ বছর আগে একইভাবে নিখোঁজ হয়েছিল আরেকটা মেয়ে। সেবারেও সন্দেহের তীর ছিল এই লোকটার দিকে। কিন্তু কিছু প্রমাণ করা যায়নি৷ এবার যাবে?
অসম্ভব একটা কেস। মাথার চুল ছিঁড়তে ছিঁড়তে বন্ধু গ্যালিলিওর স্মরণাপন্ন হলো চিফ ইন্সপেক্টর কুশানাগি। রহস্যের জট সে নিজে খুলতে পারেনি। গ্যালিলিও পারবে?
হিগাশিনো লিখেছেন প্রচুর৷ নিজের লেখাকে ভেঙ্গেচুরে এক্সপেরিমেন্টও তিনি কম করেননি। কিন্তু ডিটেকটিভ গ্যালিলিও সিরিজটা পড়তে গেলে বোঝা যায় হিগাশিনো কেনো হিগাশিনো৷ মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো রহস্য, পারিবারিক মূল্যবোধ ধরে রাখার জটিল মনস্তত্ত্ব, সামাজিক রীতিনীতির গভীর বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা চরিত্রের তুখোড় মেধাশক্তির পরিচয় মিলিয়ে পাকা রাঁধুনীর মতো তিনি যে ডিশ উপস্থাপন করেন, তার স্বাদ নেয়া মাত্র পাঠক নির্দ্বিধায় মেনে নেন হিগাশিনোর শ্রেষ্ঠত্ব। সাইলেন্ট প্যারেডও তার ব্যতিক্রম হবে না, পাঠক এখানেও খুঁজে পাবেন সেই আদি ও আসল কেইগো হিগাশিনো। গ্যারান্টিড!
৩. বই: আ মিডসামার'স ইকুয়েশন
অনুবাদ: আদনান আহমেদ রিজন
• ফ্ল্যাপ:
হ্যারি কোভ একসময় ছিল প্রাণচঞ্চল গ্রীষ্মকালীন রিসোর্ট শহর। ছুটির মৌসুমে এখানে ভিড় জমত হাজারো মানুষের, ভরে উঠত সমুদ্রের তট, হোটেল আর রাস্তাঘাট। অথচ আজ সেই শহর যেন ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস ফুরিয়ে আসা এক বৃদ্ধ—পরিত্যক্ত, মলিন, অতীত গৌরবের ভগ্নস্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছে কোনোমতে।
এই শহরেই এসে হাজির হন খ্যাতনামা পদার্থবিজ্ঞানী মানাবু ইউকাওয়া, যিনি সকলের কাছে পরিচিত “ডিটেকটিভ গ্যালিলিও” নামে। আসার উদ্দেশ্য- সমুদ্রের গভীরে প্রস্তাবিত খনিজ উত্তোলন প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখা। কিন্তু প্রকল্পটিকে ঘিরে শহরের ভেতরে দানা বেঁধেছে ভয়াবহ বিভাজন। একপক্ষ বলছে, উন্নয়ন ছাড়া হারি কোভের ভবিষ্যৎ নেই; অপরপক্ষ আশঙ্কা করছে, এর ফলে ধ্বংস হয়ে যাবে এ অঞ্চলের অপরূপ নীল জলরাশি আর অমূল্য পরিবেশ। উত্তেজনা তাই চরমে।
এমন এক আলোড়িত রাত পেরিয়ে ভোরবেলা শিউরে উঠল পুরো শহর। রিসোর্টের এক অতিথির দেহ পড়ে আছে সমুদ্রতটে, খাড়াই পাহাড়ের পাদদেশে। স্থানীয় পুলিশ প্রথমে ভেবেছিল, নিছকই দুর্ঘটনা—অপরিচিত জায়গায় রাতের আঁধারে হাঁটতে গিয়ে মানুষটা ভুল করে গড়িয়ে পড়েছে নিচে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ধরা দিল আসল সত্য। মৃত ব্যক্তি ছিলেন এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, আর তার মৃত্যু হয়েছে কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায়। তখনই পুলিশের মনে সন্দেহ জাগল—এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়... খুন। এবং মৃতদেহ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে তদন্তকে ভুল পথে পরিচালনা করার জন্য।
তদন্ত যখন এপথ-ওপথ ঘুরপাক খাচ্ছে, ঠিক তখনই ইউকাওয়া টের পান- ঘটনার ভেতরে লুকিয়ে আছে আরও গভীর রহস্য। তিনি জড়িয়ে পড়েন অদৃশ্য এক জালে, যেখানে প্রতিটা সূত্র তাকে টেনে নেয় অপ্রত্যাশিত এক পরিণতির দিকে। একের পর এক চমকপ্রদ মোড় অতিক্রম করে অবশেষে উন্মোচিত হয় এক গোপন সম্পর্কের অন্ধকার, যার মর্মান্তিক পরিণতিই এই হত্যাকাণ্ড।
এ উপন্যাসে হিগাশিনো আবারও প্রমাণ করেছেন, তিনি রহস্য ও মানবমনের গভীর টানাপোড়েন আঁকতে অদ্বিতীয়। টানটান উত্তেজনা, বিস্ময়কর মোড় আর অনবদ্য বর্ণনায় গড়ে ওঠা এই কাহিনি পাঠককে টেনে রাখবে একদম শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত।
৪. বই: স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট
অনুবাদ: আশিকুর রহমান
• ফ্ল্যাপ:
ডিভোর্সের ঠিক আগে খুন হয়ে গেল ইয়োশিতাকা। আর্সেনিক প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে তাকে। সন্দেহের তীর সোজা চলে গেল তার স্ত্রী- আয়ানে'র বরাবর। সমস্যা হলো খুনের সময় আয়ানে ছিলো শ'খানেক মাইল দূরে। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া ডিটেকটিভ কুসানাগি ধরেই নিলো বেচারিকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে। তবে কুসানাগির সহকারী কাউরো উতসুমি এত সহজে পটলো না। তবে উতসুমির ইন্দ্রিয় বলছে এক কথা, তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে আরেক। ধন্দে পড়ে সাহায্যের জন্য সে ছুটে গেলো ডিটেকটিভ গ্যালিলিও ওরফে প্রফেসর মানাবু ইউকাওয়ার কাছে। তবে তীক্ষ্মধী ড. ইউকাওয়া নিজেও মস্তিষ্কের ধূসর কোষগুলোকে খাটিয়েও কোনো সুরাহা করতে পারছেন না খুনের।
এদিকে দ্রুত ফুরিয়ে আসছে সময়। ধরা কি পড়বে না তাহলে সেই ঠাণ্ডা মাথার খুনি?
তুমুল জনপ্রিয় থ্রিলার লেখক কেইগো হিগাশিনোর আরও একটা মাস্টারস্ট্রোক 'স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট।' যার শেষটা পড়ে একাধারে অবাক হবেন, মুগ্ধ হবেন, বিস্মিতও হবেন ভেবে- এভাবেও কি নিখুঁত অপরাধ ঘটানো যায়?
৫. বই: দ্য ডিভোশন অফ সাসপেক্ট এক্স
অনুবাদ: আশিকুর রহমান
• ফ্ল্যাপ:
একমাত্র মেয়ে মিসাতোকে নিয়ে নির্ঝঞ্ঝাট ভাবে কেটে যাচ্ছিলো ইয়াসুকোর দিন। অত্যাচারী স্বামীর হাত থেকে মুক্তি পেয়ে গড়ে তুলেছে মা-মেয়ের ছোট্ট সংসার।
কিন্তু সুখ বেশিদিন সইলো না কপালে। আচমকা একদিন ফের হানা দিলো টোগাশি- ইয়াসুকোর প্রাক্তন স্বামী। টাকার জন্য পাগল হয়ে গেছে লোকটা। এবার সব হারানোর ভয়ে রুখে দাঁড়ালো ইয়াসুকো-মিসাতো। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে খুন হয়ে গেলো টোগাশি। কিংকর্তব্যবিমূঢ় দুই নারীকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলো পাশের ফ্ল্যাটের সাদামাটা এক গণিতের শিক্ষক।
কিন্তু কেন?
টোকিও পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ডিটেকটিভ কুসানাগি তদন্তে নামতেই বুঝতে পারলো অসম্ভব এক কাজে হাত দিয়েছে সে। সূত্র জোড়া দিয়ে কিছুতেই কিছু মেলাতে পারছে না। বাধ্য হয়ে সাহায্য চাইলো প্রতিভাবান এক পদার্থবিজ্ঞানীর কাছে।
তার নাম?
ডিটেক্টিভ গ্যালিলিও।
শুরু হলো ঠাণ্ডা মাথার এক গণিতবিদ আর প্রখর বুদ্ধিমান এক পদার্থবিদের লড়াই।
পাঠক, নিশ্চিত থাকুন- কেইগো হিগাশিনোর বিশ্বনন্দিত থ্রিলার 'দ্য ডিভোশন অফ সাসপেক্ট এক্স' আপনার চুম্বকের মতো আটকে রাখবে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত।